রক্তদানে একসাথে সংযোগ-সন্ধানী

মানবসেবায় রক্তদান কর্মসূচিতে একসাথে কাজ করবে সামাজিক সংগঠন সংযোগঃ কানেক্টিং পিপল ও সন্ধানী। শুক্রবার ৪ঠা জুন সংযোগ : কানেক্টিং পিপল ও সন্ধানীর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

লেখাটি শেয়ার করুন

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

সংযোগ নিউজঃ

মানবসেবায় রক্তদান কর্মসূচিতে একসাথে কাজ করবে সামাজিক সংগঠন সংযোগঃ কানেক্টিং পিপল ও সন্ধানী।  শুক্রবার ৪ঠা জুন সংযোগ : কানেক্টিং পিপল ও সন্ধানীর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।  

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে সন্ধানীর পক্ষে স্বাক্ষরচুক্তিতে উপস্থিত থাকেন বর্তমান সন্ধানীর কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. লুৎফর রহমান মিলন,কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো নাজমুল আলম,কেন্দ্রীয় অর্গানাইজেশন সম্পাদক জিসান কবির এবং সংযোগের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংযোগঃ কানেক্টিং পিপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডা. ইশরাত ইমরোজ ( সাবেক ভিপি, সন্ধানী, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)

সংযোগের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডা. ইশরাত ইমরোজ বলেন,  সন্ধানী-সংযোগ কানেক্টিং পিপল’র স্মারকচুক্তি হয় মানবসেবায়। বিশেষ করে রক্তদান কর্মসূচিতে একে অপরের পাশে থাকার এক অঙ্গীকার নিয়ে। সন্ধানী সম্পর্কে নতুন করে পরিচয় দেয়ার কিছু নাই। ১৯৭৭ সালের ৫ফেব্রুয়ারী ঢাকা মেডিকেল কলেজে একদল মেডিকেল শিক্ষার্থীদের হাত ধরে স্বাস্থ্যখাতে সর্বপ্রথম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের জন্ম হয়।

তিনি বলেন,  সংযোগ কানেক্টিং পিপল’র জন্ম গতবছর। সে হিসেবে সংযোগ ব্লাড সাপোর্ট টিমের কার্যক্রমে সন্ধানীর যুক্ত হওয়া এই কার্যক্রমকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আশাকরি সংযোগ ব্লাড সাপোর্ট টিম এখন সারাদেশে আরো বলিষ্ঠভাবে মানুষের পাশে রক্তদান কর্মসূচিতে সজীব থাকবে

বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের পথিকৃৎ “সন্ধানী”।বাংলাদেশের সব মেডিকেল কলেজে সন্ধানীর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। রক্ত দানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি মানুষের চক্ষু ব্যাংক হিসেবে কাজ করে।মৃত্যুর পূর্বে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত চক্ষু দানের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে থাকে যাতে ভবিষ্যতে সেগুলো অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারেন।

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্করে ভূষিত করে।

অন্যদিকে ২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে মানুষের জন্য কাজ করছে সংযোগঃ কানেক্টিং পিপল। অক্সিজেন ও রক্তের চাহিদা যোগাতে দিনরাত কাজ করেছে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা। ওই সময় রক্তদানে  যাত্রা শুরু করে ‘সংযোগ ব্লাড সাপোর্ট টিম’।  কিছুদিন পর করোনা আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করতে প্লাজমা নিয়ে কাজ করে ব্লাড সাপোর্ট টিম। তাদের সহায়তায় জীবন বেঁচেছে প্রায় ২ হাজার রোগীর। রাজধানী ঢাকাসহ প্রায় ৩০টি জেলায় রক্তদানে  ‘সংযোগ ব্লাড সাপোর্ট টিম’ এর তরুণেরা রুটিন মাফিক কাজ করছে ।

আরও পড়ুন

ব্লগ

মে মাসে সংযোগের অক্সিজেন সেবা পেল ১’শ জন

চলতি বছরের মে মাসে সামাজিক সংগঠন সংযোগঃ কানেক্টিং পিপল-এর অক্সিজেন সেবা পেয়েছে মোট ১’শ জন। এরমধ্যে ঢাকা শহরে ৫৬ জন ও ঢাকার বাহিরে সেবা পেয়েছে ৪৪জন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংযোগ।

ব্লগ

অক্সিজেন সেবায় সংযোগের পাশে সিদরা ফাউন্ডেশন

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে অক্সিজেন সঙ্কট মোকাবেলায় সামাজিক সংগঠন ‘সংযোগঃ কানেক্টিং পিপল’ এর অক্সিজেন হাবে ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ১টি অক্সিজেন কন্সেনট্রেটর দিয়েছে সিদরা ফাউন্ডেশন।

সংযোগ স্বেচ্ছাসেবী হতে চান?

আপনার জীবন বৃত্তান্ত মেইল করুন আমাদের ঠিকানায়

Scroll to Top