সীসামুক্ত আগামীঃ সুস্থ মেধায় গড়ি দেশ
সীসা দূষণ ও এর প্রতিকার বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা
This event is by invitation only. Please contact us if you would like to attend.
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ সীসা দূষণকবলিত দেশ। ইউনিসেফ এবং পিওর আর্থ-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশে প্রায় ৩ কোটি ৫০ লক্ষ শিশু বিপজ্জনক মাত্রায় সীসা দূষণের শিকার। এই নীরব বিষক্রিয়া আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ বা আইকিউ (IQ) স্থায়ীভাবে কমিয়ে দিচ্ছে, যার ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রতি বছর প্রায় ২৮.৬ বিলিয়ন ডলার (জিডিপির প্রায় ৬-৯%) ক্ষতি হচ্ছে।
ঢাকা ও সাভারের মতো শিল্পপ্রধান ও জনবহুল জনপদে সীসা দূষণ এখন এক ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সংকট। এই বিপর্যয় রোধে এবং দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করে জনসচেতনতা বাড়াতে সংযোগ ফাউন্ডেশন (Songjog Foundation) আয়োজন করছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ সচেতনতা কর্মসূচি।


রক্তে সীসার মাত্রা বাড়লে শিশুদের স্নায়ুতন্ত্রের অপূরণীয় ক্ষতি হয় এবং স্থায়ীভাবে শেখার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের বাজার থেকে সংগৃহীত খাদ্যশস্য, মশলা (বিশেষ করে হলুদ) এবং খেলনায় উচ্চমাত্রার সীসা বিদ্যমান।
সাভারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত ও অবৈধ ব্যাটারি রিসাইক্লিং মাটি ও ভূগর্ভস্থ পানিকে বিষাক্ত করে তুলছে।
সীসা দূষণ কেবল শিশুদের নয়, বরং গর্ভবতী মায়েদের মাধ্যমে অনাগত শিশুর শরীরেও প্রবেশ করে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক জটিলতা তৈরি করছে।
রান্নার পাত্র এবং হলুদের রঙের মাধ্যমে সীসা সরাসরি আমাদের রক্তে মিশছে, যা হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষের অকাল মৃত্যুর কারণ হচ্ছে।
ক্যাম্পেইন কর্মসূচি
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ | নলেজ শেয়ারিং ও ট্রেনিং
স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের জন্য "সীসা দূষণ ও প্রতিকার" বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ।
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ | মাঠপর্যায়ে জনসচেতনতা
শিল্পাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় এবং সুরক্ষা নির্দেশনা প্রদান।
২৫ - ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ | ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন
রাজধানীর শীর্ষস্থানীয় দুটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পোস্টার প্রেজেন্টেশন, তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং শিক্ষার্থী সংলাপ।
ডিজিটাল সচেতনতা
সপ্তাহব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ায় তথ্যমূলক কন্টেন্ট ও ভিডিও প্রচার।